ডায়াবেটিস রোগী রোজা: নিরাপদ রোজার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি
রমজান শুরুর আগে পূর্বপ্রস্তুতির গুরুত্ব
ডায়াবেটিস রোগী রোজা রাখতে হলে রমজান শুরু হওয়ার কমপক্ষে ২–৩ মাস আগে ডাক্তার বা এন্ডোক্রিনোলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করে লাইফস্টাইল ও খাদ্যাভ্যাস ঠিক করতে হবে। সঠিক প্রস্তুতি রোজার সময় হাইপোগ্লাইসেমিয়া, হাইপারগ্লাইসেমিয়া ও ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমায়।

এসেডবি সংবাদ সম্মেলনের নির্দেশনা
২৩ ডিসেম্বর এসেডবি (অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্লিনিকাল এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট ও ডায়াবেটোলজিস্ট অফ বাংলাদেশ) সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, ডায়াবেটিস রোগী রোজা রাখতে পারবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসেডবির সভাপতি মো. ফরিদ উদ্দিন।
রোজার সময়ে পরীক্ষা ও ইনসুলিন ব্যবস্থাপনা
রোজার সময় রক্ত পরীক্ষা করা নিরাপদ এবং প্রয়োজনে ইনসুলিন ইনজেকশন নেওয়া যেতে পারে। নিয়ম মেনে রোজা রাখলে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ এই স্তম্ভ পালন করা সম্ভব। সন্দেহ থাকলে অভিজ্ঞ ডাক্তার বা হাক্কানী আলিমদের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিৎ।
রোজা এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রোজা রাখলে কিছু জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়:
-
হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে সুগারের স্বল্পতা)
-
হাইপারগ্লাইসেমিয়া (রক্তে সুগারের আধিক্য)
-
ডায়াবেটিস কিটোএসিডোসিস
-
পানি শূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন
নিরাপদ রোজার জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা
সঠিক প্রস্তুতি এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে রোজা রাখলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া ও অন্যান্য জটিলতা কমে। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি নিরাপদে রোজা রাখার সুযোগ নিশ্চিত করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়ম মেনে রোজা স্বাস্থ্যও উপকারে আসে।
