Bangla Tuktak

ঝাল এবং মিষ্টি ভাপা পিঠার রেসিপি

ঝাল এবং মিষ্টি ভাপা পিঠা

শীতের মরসুমে ভাপা পিঠা বাঙালির প্রিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে গরম পিঠা আর তাজা গুড়ের মিষ্টি ঘ্রাণ ভাতের সঙ্গে মিলেমিশে শীতের সকাল বা বিকেলকে আরও আনন্দময় করে তোলে। এখন শহরের মানুষরা অনেক সময় পিঠা দোকান থেকে কিনে খায়, কিন্তু বাড়িতে সহজভাবে তৈরি করলে স্বাদ ও আনন্দ দুটোই বেড়ে যায়। এখানে আমরা দুই ধরনের পিঠা বানানোর রেসিপি দেব – গুড় নারিকেল ভাপা পিঠা এবং চিকেন ভাপা পিঠা।

গুড় নারিকেল ভাপা পিঠা

উপকরণ:

  • চালের গুঁড়া ২ কাপ

  • লবণ ১ চিমটি

  • কুসুম গরম পানি প্রয়োজন মতো

  • তাজা নারিকেল কোরা ১ কাপ

  • গুড় ½–¾ কাপ (স্বাদ অনুযায়ী)

  • এলাচ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ

প্রস্তুত প্রণালী:

  1. চালের গুঁড়া ও লবণ মিশিয়ে ধীরে ধীরে কুসুম গরম পানি দিয়ে মাখুন। মিশ্রণটা দানাদার হতে হবে, যাতে হাতে ধরলে আকার তৈরি হয়।

  2. নারিকেল কোরা ও গুড় মিশিয়ে সামান্য এলাচ গুঁড়া দিয়ে পুর তৈরি করুন।

  3. ভাপা পিঠার ছাঁচে প্রথমে একটি স্তর চালের গুঁড়া দিন, এরপর পুর রাখুন এবং আবার উপরে চালের গুঁড়া ঢেকে হালকা চাপ দিন।

  4. স্টিমারে পানি ফুটিয়ে পিঠার ছাঁচ ঢেকে ১০–১৫ মিনিট ভাপে রাখুন।

  5. গরম গরম পিঠা পরিবেশন করুন।

চিকেন ভাপা পিঠা

উপকরণ:

  • চালের গুঁড়া ২ কাপ

  • লবণ ১ চিমটি

  • কুসুম গরম পানি প্রয়োজন মতো

  • মুরগির কিমা ১ কাপ

  • পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ

  • কাঁচা মরিচ কুচি ৪টি

  • আদা বাটা ½ চা চামচ

  • রসুন বাটা ১ চা চামচ

  • গোলমরিচ গুঁড়া ½ চা চামচ

  • গরম মসলা গুঁড়া ½ চা চামচ

  • লবণ স্বাদমতো

  • তেল ১ টেবিল চামচ

  • ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল চামচ

প্রস্তুত প্রণালী:

  1. চালের গুঁড়া ও লবণ মিশিয়ে কুসুম পানি দিয়ে দানাদার ময়দার মতো মেখে নিন।

  2. প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ, আদা-রসুন ও কাঁচা মরিচ ভাজুন।

  3. কিমা, লবণ ও সব মসলা দিয়ে শুকনোভাবে রান্না করুন। শেষে ধনেপাতা মেশান।

  4. পিঠার ছাঁচে প্রথমে চালের একটি স্তর দিন, মাঝখানে চিকেন পুর রাখুন এবং উপরে আবার চালের স্তর ঢেকে হালকা চাপ দিন।

  5. স্টিমারে ১০–১৫ মিনিট ভাপে রাখুন এবং গরম পরিবেশন করুন।

ভাপা পিঠা ঘরে তৈরি করলে মিষ্টি ও নরম ভাপা পিঠার স্বাদ বাড়ে। গুড় নারিকেল ভাপা পিঠা মিষ্টির জন্য, আর চিকেন ভাপা পিঠা বিকেলের নাশতার জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত। শীতের সকালে এই পিঠা খেলে খাবারের আনন্দ অনেকগুণ বেড়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *